
ভূমি নিবন্ধন অধ্যাদেশের খসড়া
জমির শ্রেণি প্রতারণা করে কর ফাঁকি দিলে থাকছে শাস্তির বিধান
ভূমি নিবন্ধন (রেজিস্ট্রেশন) শেষে বালাম বইয়ে অন্তর্ভুক্তির মধ্য দিয়ে তা চূড়ান্ত হয়েছে—এ তথ্য ক্রেতাকে জানাতে নোটিশের বিধান রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন আইন কমিশনের চেয়ারম্যান জিনাত আরা। পাশাপাশি দলিলে জমির শ্রেণি প্রতারণামূলকভাবে পরিবর্তন করে কর ফাঁকি দিলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শাস্তির আওতায় আনার বিধান রাখারও প্রস্তাব করেছেন ।
শনিবার (২২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় মতবিনিময়ের আয়োজন করে আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ।
অধ্যাদেশের খসড়ায় উল্লেখিত এক বছরের মধ্যে জমি রেজিস্ট্রির দলিল (মূল দলিল) পক্ষকে দিতে হবে—এমন প্রস্তাব প্রসঙ্গে আইন কমিশনের চেয়ারম্যান জিনাত আরা বলেন, ‘দেখা যাচ্ছে, জমি রেজিস্ট্রেশন করার পর বারবার করে লোক পাঠাতে হয়। উঠেছে বালামে? না ওঠে নাই।…ব্যক্তিগত এমন অভিজ্ঞতাও নিশ্চয়ই কারও কারও আছে। ফলে রেজিস্ট্রেশন শেষ করার পরে অবশ্যই একটি নোটিশের বিধান রাখতে হবে। ৩০ দিনের মধ্যে ক্রেতা বা মনোনীত ব্যক্তির প্রতি নোটিশ দিয়ে বলে দিতে হবে, যে বালামে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। তা না হলে মানুষ জানতে পারবে না।’
দেশে ভূমি জরিপ অনেক দীর্ঘ বিরতিতে হয় উল্লেখ করে আইন কমিশনের চেয়ারম্যান বলেন, এই সময়ের মধ্যে অনেক ভূমির প্রকৃতি ও শ্রেণি পরিবর্তন হয়। বাস্তবে জমির শ্রেণি একরকম থাকলেও দলিলে অনেক সময় জমির শ্রেণি ভিন্ন দেখানো হয়। এ জন্য দলিলে জমির শ্রেণি প্রতারণামূলকভাবে পরিবর্তন করে কর ফাঁকি দিলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শাস্তির আওতায় আনতে বিধানের কথা প্রস্তাব করেন তিনি।
Leave a Reply