Bdnews Live24 | logo

১৭ই আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ | ১লা জুলাই, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

আমরা বিপজ্জনক অবস্থায় আছি!

প্রকাশিত : মার্চ ২৬, ২০২২, ০২:৪৪

আমরা বিপজ্জনক অবস্থায় আছি!

নিউজ ডেস্ক: বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘আমরা চতুর্দিক থেকে জাতিগতভাবে খুব বিপজ্জনক অবস্থায় পড়ে আছি। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধে আমাদের লক্ষ্য ছিল একটা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র নির্মাণ করা, সেটা আজকে সবচেয়ে বিপদে।’
শুক্রবার সকালে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে মুক্তিযুদ্ধ নয়, ‘এক ব্যক্তির’ জন্মশতবার্ষিকীকে সরকার প্রাধান্য দিয়েছে। অবস্থা দেখে তাই মনে হয়েছে। সরকার কতগুলো প্রোগ্রামে স্বাধীনতা যুদ্ধ-মুক্তিযুদ্ধকে সামনে নিয়ে এসেছে। মুক্তিযুদ্ধে যারা সেদিন নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তাদের নাম উচ্চারণ করা হয়েছে কয়বার? প্রবাসী সরকার, এম এ জি ওসমানি, তাজউদ্দিন সাহেবের (তাজউদ্দিন আহমেদ) ও সেক্টর কমান্ডারদের নাম কতবার উচ্চারিত হয়েছে, আপনারা নিজেরাই তা বুঝবেন।’
এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আওয়ামী লীগের একটা কেমেস্ট্রি আছে যেটাকে বলা হয় ‘আমি ছাড়া আর কেউ নেই’। এটাই তাদের সমস্যা।’
মির্জা ফখরুল বলেন, দেশে গণতন্ত্র নেই, মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে। সারাবিশ্বে আমরা চিহ্নিত হয়েছি মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী একটা দেশ হিসেবে।’
তিনি বলেন, ‘বিএনপিকে নির্মূল করে দেয়ার চক্রান্ত করছে সরকার।’
খালেদা জিয়াকে প্রথম নারী মুক্তিযোদ্ধা উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘যে নেত্রী একজন গৃহবধূ ছিলেন। জিয়াউর রহমান সাহেবের বিদ্রোহের পরে তার স্ত্রী সেদিন যখন সোয়াত জাহাজের দিকে এগুচ্ছিলেন তখন পাকিস্তানি কমান্ডার আমাদের অষ্টম বেঙ্গল রেজিমেন্টের কমান্ডার সোহরাব হোসেন সেনাবাহিনীর সৈনিকদের নিরস্ত্র করবার চেষ্টা করছিল সেই সময়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া প্রথম বলেছিলেন, তোমরা অস্ত্র সমর্পণ করবে না যতক্ষণ পর্যন্ত না জিয়াউর রহমান ফিরে আসেন। এই দিয়ে তার শুরু।’
তিনি বলেন, ‘আমি সবসময় বলার চেষ্টা করেছি দেশে প্রথম নারী মুক্তিযোদ্ধা কেউ যদি থাকে তিনি হচ্ছেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তাকে (খালেদা জিয়া) আজকে মিথ্যা মামলায় বন্দী করে রাখা হয়েছে। ৪০ বছর ধরে যিনি গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করলেন তাকে আজকে এই সরকার আটক করে রেখেছে। অসুস্থাবস্থায় তাকে চিকিৎসার সুযোগ দিচ্ছে না তারা।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমাদের দলের নেতা তারেক রহমান সাহেবও ওই সময় কিন্তু তার ছোট ভাইসহ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সাথে বন্দী ছিলেন। সুতরাং মুক্তিযুদ্ধে ওই ছোট মানুষটির অবদানও কারো অস্বীকার করার উপায় নেই। এই নেতাকে আজকে দেশে ফিরতে দেয়া হচ্ছে না।’
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও সদস্য সচিব আবদুস সালাম উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘আমরা চতুর্দিক থেকে জাতিগতভাবে খুব বিপজ্জনক অবস্থায় পড়ে আছি। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধে আমাদের লক্ষ্য ছিল একটা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র নির্মাণ করা, সেটা আজকে সবচেয়ে বিপদে।’
শুক্রবার সকালে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে মুক্তিযুদ্ধ নয়, ‘এক ব্যক্তির’ জন্মশতবার্ষিকীকে সরকার প্রাধান্য দিয়েছে। অবস্থা দেখে তাই মনে হয়েছে। সরকার কতগুলো প্রোগ্রামে স্বাধীনতা যুদ্ধ-মুক্তিযুদ্ধকে সামনে নিয়ে এসেছে। মুক্তিযুদ্ধে যারা সেদিন নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তাদের নাম উচ্চারণ করা হয়েছে কয়বার? প্রবাসী সরকার, এম এ জি ওসমানি, তাজউদ্দিন সাহেবের (তাজউদ্দিন আহমেদ) ও সেক্টর কমান্ডারদের নাম কতবার উচ্চারিত হয়েছে, আপনারা নিজেরাই তা বুঝবেন।’
এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আওয়ামী লীগের একটা কেমেস্ট্রি আছে যেটাকে বলা হয় ‘আমি ছাড়া আর কেউ নেই’। এটাই তাদের সমস্যা।’
মির্জা ফখরুল বলেন, দেশে গণতন্ত্র নেই, মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে। সারাবিশ্বে আমরা চিহ্নিত হয়েছি মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী একটা দেশ হিসেবে।’
তিনি বলেন, ‘বিএনপিকে নির্মূল করে দেয়ার চক্রান্ত করছে সরকার।’
খালেদা জিয়াকে প্রথম নারী মুক্তিযোদ্ধা উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘যে নেত্রী একজন গৃহবধূ ছিলেন। জিয়াউর রহমান সাহেবের বিদ্রোহের পরে তার স্ত্রী সেদিন যখন সোয়াত জাহাজের দিকে এগুচ্ছিলেন তখন পাকিস্তানি কমান্ডার আমাদের অষ্টম বেঙ্গল রেজিমেন্টের কমান্ডার সোহরাব হোসেন সেনাবাহিনীর সৈনিকদের নিরস্ত্র করবার চেষ্টা করছিল সেই সময়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া প্রথম বলেছিলেন, তোমরা অস্ত্র সমর্পণ করবে না যতক্ষণ পর্যন্ত না জিয়াউর রহমান ফিরে আসেন। এই দিয়ে তার শুরু।’
তিনি বলেন, ‘আমি সবসময় বলার চেষ্টা করেছি দেশে প্রথম নারী মুক্তিযোদ্ধা কেউ যদি থাকে তিনি হচ্ছেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তাকে (খালেদা জিয়া) আজকে মিথ্যা মামলায় বন্দী করে রাখা হয়েছে। ৪০ বছর ধরে যিনি গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করলেন তাকে আজকে এই সরকার আটক করে রেখেছে। অসুস্থাবস্থায় তাকে চিকিৎসার সুযোগ দিচ্ছে না তারা।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমাদের দলের নেতা তারেক রহমান সাহেবও ওই সময় কিন্তু তার ছোট ভাইসহ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সাথে বন্দী ছিলেন। সুতরাং মুক্তিযুদ্ধে ওই ছোট মানুষটির অবদানও কারো অস্বীকার করার উপায় নেই। এই নেতাকে আজকে দেশে ফিরতে দেয়া হচ্ছে না।’
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও সদস্য সচিব আবদুস সালাম উপস্থিত ছিলেন।



এ সংবাদটি 16454 বার পড়া হয়েছে.
শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  




bdnewslive24.com

অস্থায়ী অফিসঃ বন্ধন বি- এয়ারপোর্ট-রোড, আম্বরখানা সিলেট।

ই-মেইলঃ admin@bdnewslive24.com

নিউজঃ 01737-969088

বিজ্ঞাপনঃ 01892-475100

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বে-আইনি।

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ সাহেদ আহমদ।

 

প্রধান উপদেষ্টাঃ কবির উদ্দিন।

সম্মানিত উপদেষ্টাবৃন্দঃ এডভোকেট নাসির উদ্দিন খাঁন, মোহাম্মদ বাদশা গাজী, মোঃ ইসলাম উদ্দিন।

 

বিডি নিউজ লাইভ ২৪ মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।  © ২০২১

          Design & Developed BY: Cloud Service BD