রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় আ.লীগের এমপির জানাজা-দাফন, দেওয়া হলো গার্ড অব অনার
অনলাইন ডেক্স
৩০ মে ২০২৬, ১৯:৫৮
সাবেক এমপি দবিরুল ইসলামের এমপির জানাজা ও দাফন সম্পন্ন
সাবেক এমপি দবিরুল ইসলামের এমপির জানাজা ও দাফন সম্পন্ন
ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সাতবারের সাবেক সংসদ সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি দবিরুল ইসলামের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার (৩০ মে) বিকালে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার শহীদ আকবর আলী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কলেজ মাঠে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় জানাজা শেষে বড়বাড়ি গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
এই প্রবীণ রাজনীতিকের শেষ বিদায়ে অংশ নিতে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজারো মানুষ বালিয়াডাঙ্গীতে সমবেত হন। জানাজার আগে মরহুমকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করা হয়। এ সময় প্রশাসন ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, মুক্তিযোদ্ধা, জনপ্রতিনিধিসহ সর্বস্তরের মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
বাবার জানাজায় অংশ নিতে দিনাজপুর কারাগার থেকে সাত ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি পেয়ে উপস্থিত হন তার ছেলে ও ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম সুজন। দুপুর সাড়ে ১২টায় বালিয়াডাঙ্গীর নিজ বাসভবনে পৌঁছান।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে দবিরুল ইসলাম ছিলেন ঠাকুরগাঁওয়ের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। ১৯৪৮ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বড়বাড়ী গ্রামে জন্ম নেওয়া এই নেতা শুরুতে কমিউনিস্ট পার্টির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও পরে আওয়ামী লীগে যোগ দেন। এরপর ঠাকুরগাঁও-২ আসন থেকে টানা সাতবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি জাতীয় সংসদের বিভিন্ন স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন।
গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সাবেক এই সংসদ সদস্য। মৃত্যুর সময় তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। তিনি দুই ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে জেলার রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
দিনাজপুর কারাগার থেকে সাত ঘণ্টার প্যারোলে মুক্তি পেয়ে বাবা দবিরুলের জানাজায় অংশ নিলেন সাবেক এমপি মাজহারুল ইসলাম সুজন। শনিবার সকালে তিনি কারাগার থেকে ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার উদ্দেশে রওনা হন।
জানাজায় অংশ নিয়ে সাবেক এমপি মাজহারুল ইসলাম সুজন বাষ্পরুদ্ধ কণ্ঠে বলেন, বাবা সাতবার এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। ৩৫ বছর এলাকার উন্নয়নে কাজ করেছেন। ওনার যদি কোনও ভুলত্রুটি থাকে আপনারা ক্ষমা করে দিবেন। এই নিউজটি অন্য একটি সাইডের নিউজটি আমার সাইডের জন্যে আরো আকর্ষণীয় ভাবে তৈরি করে দাও
রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় চিরনিদ্রায় শায়িত সাবেক এমপি দবিরুল ইসলাম, জানাজায় মানুষের ঢল
ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সাতবারের সাবেক সংসদ সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি দবিরুল ইসলাম রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায় পেয়েছেন। শনিবার (৩০ মে) বিকেলে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার শহীদ আকবর আলী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কলেজ মাঠে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
প্রবীণ এই রাজনীতিকের শেষ বিদায়ে অংশ নিতে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজারো মানুষ জানাজাস্থলে ভিড় করেন। জানাজার আগে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এ সময় প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতাকর্মী, মুক্তিযোদ্ধা, জনপ্রতিনিধি ও সর্বস্তরের মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে বাবার শেষ বিদায়ে অংশ নিতে বিশেষ অনুমতিতে দিনাজপুর কারাগার থেকে সাত ঘণ্টার প্যারোলে মুক্তি পান সাবেক সংসদ সদস্য ও দবিরুল ইসলামের ছেলে মাজহারুল ইসলাম সুজন। শনিবার দুপুরে তিনি বালিয়াডাঙ্গীর নিজ বাসভবনে পৌঁছে বাবার জানাজায় অংশ নেন।
জানাজা শেষে আবেগঘন বক্তব্যে মাজহারুল ইসলাম সুজন বলেন,
“আমার বাবা সাতবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। প্রায় ৩৫ বছর এলাকার মানুষের উন্নয়নে কাজ করেছেন। তার যদি কোনো ভুলত্রুটি থেকে থাকে, সবাই তাকে ক্ষমা করে দেবেন।”
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে দবিরুল ইসলাম ঠাকুরগাঁওয়ের অন্যতম প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ১৯৪৮ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বড়বাড়ী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। রাজনৈতিক জীবনের শুরুতে কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও পরবর্তীতে আওয়ামী লীগে যোগ দেন এবং ঠাকুরগাঁও-২ আসন থেকে টানা সাতবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এছাড়া জাতীয় সংসদের বিভিন্ন স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন।
গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন দবিরুল ইসলাম। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। তিনি দুই ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য শুভাকাঙ্ক্ষী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
তার মৃত্যুতে ঠাকুরগাঁওসহ দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়দের মতে, দবিরুল ইসলামের মৃত্যুতে জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হলো।